বাংলাদেশ চা বোর্ড গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৭ জুলাই ২০২০

সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডসমূহ

চা শিল্পে সাম্প্রতিক উল্লেখযোগ্য সাফল্য:

  • ৪ জুন ‘জাতীয় চা দিবস’ ঘোষণা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৪ জুন ১৯৫৭ খ্রি. হতে ২৩ অক্টোবর ১৯৫৮ খ্রি. পর্যন্ত প্রথম বাঙালি হিসেবে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন কালে ঢাকার মতিঝিলে জমি ক্রয় করে চা বোর্ডের প্রধান কার্যালয় স্থাপনকরণ, চা শিল্পের সম্প্রসারণ, গবেষণা ও শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রাখেন। এছাড়াও স্বাধীনতা পরবর্তী যুদ্ধবিধ্বস্ত চা বাগান পুনর্গঠন, বাগান মালিকদের ভর্তুকি প্রদান এবং টি রিসার্স স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিটিআরআই) উন্নীতকরণের কাজটিও তিনি সম্পন্ন করেন। তাঁর এ যুগান্তকারী অবদানকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য বিগত ২০ জুলাই ২০২০ খ্রি. তারিখ মন্ত্রিসভার বৈঠকে চা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে বঙ্গবন্ধুর দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ ৪ জুনকে প্রতি বছর “জাতীয় চা দিবস” হিসেবে পালনের অনুমোদন দেয়া হয়।
  • ২০১৯ সালে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন;
  • মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা বোর্ড নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই)-এ নবনির্মিত গ্রীন টি ফ্যাক্টরি গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে চালু করা হয়;
  • মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা বোর্ড নিয়ন্ত্রণাধীন পাথারিয়া চা বাগানের নবনির্মিত পাথারিয়া চা ফ্যাক্টরি গত ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ তারিখে চালু করা হয়;
  • বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বাংলাদেশ চা বোর্ড কর্তৃক রাজধানী ঢাকায় বিগত ১৮-২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ খ্রি. তারিখে ‘বাংলাদেশ চা প্রদর্শনী ২০১৮’ আয়োজন করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, এমপি মহোদয় প্রদর্শনীর শুভ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, এমপি কর্তৃক বাংলাদেশ চা বোর্ডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) কর্তৃক উদ্ভাবিত চায়ের উন্নত জাতের ক্লোন ‘বিটি ২১’ অবমুক্ত করা হয়।
  • বান্দরবানে ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান মালিকদের উৎপাদিত সবুজ চা পাতার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে চা আবাদ সম্প্রসারণ, এ অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে গত ০১ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে বান্দরবান পার্বত্য জেলার সুয়ালক ইউনিয়নের চৌধুরী পাড়ায় বার্ষিক ৩ লক্ষ কেজি চা উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন আধুনিক চা কারখানা চালু করা হয়;
  • বাংলাদেশ চা বোর্ড “Extension of Small Holding Tea Cultivation in Chittagong Hill Tract” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় চা চাষ সম্প্রসারণ, চা চাষে উদ্ভুদ্ধকরণ এবং চা চাষীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষে বান্দরবান জেলায় ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ৪টি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে;
  • বাংলাদেশ চা বোর্ডের “ইরাডিকেশন অব রুর‌্যাল প্রভার্টি বাই এক্সটেনশন অব স্মল হোল্ডিং টি কাল্টিভেশন ইন লালমনিরহাট” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় লালমনিরহাট জেলায় চা চাষ সম্প্রসারণ, চা চাষে উদ্ভুদ্ধকরণ এবং চা চাষীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ১০টি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়;
  • বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে ক্ষুদ্র পর্যায়ে চা চাষ সম্প্রসারণের নিমিত্ত বাংলাদেশ চা বোর্ড কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “এক্সটেনশন অব স্মল হোল্ডিং টি কালটিভেশন ইন নর্দান বাংলাদেশ” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী জেলায় চা চাষ সম্প্রসারণ, চা চাষে উদ্ভুদ্ধকরণ এবং চা চাষীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ১৭টি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়;
  • মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে দেশের দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালুকরণ। বিগত ১৪ মে, ২০১৮ তারিখে শ্রীমঙ্গল নিলাম কেন্দ্রের প্রথম চা নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। 
  • জনগণের দোরগোড়ায় সহজে চা লাইসেন্স সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষে বাংলাদেশ চা বোর্ড কর্তৃক গ্রাহকদের জন্য ১৬-০৯-২০১৮ খ্রি: তারিখে ‘অনলাইন চা লাইসেন্সিং সিস্টেম’ চালুকরণ;
  • ‘বাংলাদেশ চা’ নামে আন্তর্জাতিক মানের চা ব্র্যান্ড উদ্ভাবন এবং নান্দনিক ও আকর্ষণীয় মোড়কে উপস্থাপন;
  • দেশীয় চা প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে ৪ টি ‘চা প্রদর্শন ও বিক্রয় কেন্দ্র’ স্থাপন করা হয়।

Share with :

Facebook Facebook